কুবিতে অপ্রতিম হত্যার বিচার ও চার দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের মৌন মিছিল

    • প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:০৪
    • আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:০৪
    WhatsApp Image 2026-09-22 at 3.47.51 PM

    জিএম মাকছুদুর রহমান:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচার এবং চার দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) কালো ব্যাজ ধারণ ও মৌন মিছিলের মাধ্যমে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। ​বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ফ্যাকাল্টি প্রাঙ্গণে এক মিনিট নীরবতা পালনের পর শিক্ষার্থীরা একটি মৌন মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের শহিদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বর ও আইন অনুষদ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহিদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বুকে ও বাহুতে কালো ব্যাজ দেখা যায়। ​শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন ও ফাঁসির রায় কার্যকর করা; কুমিল্লার পুলিশ সুপার এবং আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) দায়িত্ব স্বীকার করে প্রত্যাহার করা; কুবি এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় তাৎক্ষণিক রেসপন্স ইউনিট গঠন।​ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি বা কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাওয়া যায়নি। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহা খানম বলেন, আজকের কর্মসূচি মূলত শোক প্রকাশ ও প্রতিবাদের মৌন ভাষা হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আরাফ ভূইয়া বলেন, পুলিশের উদাসীনতা এবং আসামিদের বয়স নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করা হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সঠিক বয়স নির্ধারণ করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। ​উল্লেখ্য, এর আগে গত রোববার ও সোমবার সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রশাসন দ্রুত তাদের দাবিগুলো না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

    Ad