অজেয় যাত্রায় তারেক জিয়া ও জাতীয় র্নিবাচন
তারেক জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনের দ্বারপ্রান্তে; এই রাজনীতিকের প্রকৃত নাম তারেক রহমান। কিন্তু নেতা, কর্মী এবং এ প্রজন্মের ভোটারদের কাছে “তারেক জিয়া” নামে তিনি পরিচিত।
তরুণ প্রজন্মের এই রাজনীতিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান বীর উত্তোম এবং তিন মেয়াদে নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জেষ্ঠ্য পুত্র।
তারেক জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট দীর্ঘ ১৮ বছর প্রবাস জীবন থেকে বাংলাদেশে প্রত্যবর্তন করেন এবং ঢাকা হযরত শাহজালাল (রাঃ) আন্তজাতিক বিমান বন্দরের মাটিতে পা রাখেন। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর জননন্দিত তারেক জিয়া দলের প্রধান ব্যক্তি হয়ে ওঠেন এবং দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন করেন।
২০০৭ খ্রি: ফকরউদ্দিন-মঈন উদ্দিন এর এক/এগারোর তত্ত্বাধয়ক সরকার গঠনের পর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক তরুণ তারেক জিয়া সেনা সদস্যদের দ্বারা নির্যাতিত হন এবং এক/এগারো সরকারের কাছে ঘড় ঢ়ড়ষরঃরপং এর মতো এক কঠিন সিদ্ধান্তে সম্মতি ও মুচলেকা দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী হন। তিনি যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহন করেন।
তবুও ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, তারেক জিয়ার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ইতিহাসের পাতায় গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় এক অনন্য দিন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই দিন বৃহত্তর ঢাকা মহানগরীর উত্তরাঞ্চল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল উপশহরের তিন শত ফুট প্রশস্তের সড়ক এলাকা “জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে” বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল ( বিএনপি) র নেতা, কর্মী, সমর্থক আর উৎসুক জনতার মহাসমাবেশ; উপস্থিথ সকলের চোখে, মুখে অপেক্ষা আর অপেক্ষা! নেতা আসছেন। তারেক জিয়া আসছেন।
অর্ভ্যথনা মঞ্চে চারি দিকে ধ্বনিত সুর; নেতা মোদের তারেক জিয়া; দীর্ঘ আঠারো বছর পর স্বদেশের মাটিতে জনগণের প্রাণ প্রিয় নেতা, তারুণ্যের কণ্ঠস্বর, আগামী বাংলাদেশ গড়ার অদ্যম শক্তি, তারুণ্য ও নেতৃত্বে এক অজেয় যাত্রার প্রাণপুরুষ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দীর্ঘ্য ১৮ (আঠারো) বছর পর স্বপরিবারে দেশে ফিরছেন।
উপস্তিত সকলের চোখে মুখে এক দিগন্ত জোড়া প্রত্যাশা; পরস্পর পরস্পরে প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ কওে জিজ্ঞাসা, তাদের প্রাণ প্রিয় নেতা তারেক রহমান সত্যি আসছেন তো?
না কি তিনি পুনরায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্ব¦ীকার হচ্ছেন!
দিনটি ছিল, শীতের হিমেল হাওয়া আর কুয়াশাছন্ন; তবুও ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকেই নেতা কর্মী আর সমর্থকরা দলে দলে সমবেত হতে থাকে! ঢাকার পূর্বাকাশ ভোরের আলোয় প্রজ্জ্বলিত হওয়ার পূর্বক্ষণে জেলা উপজেলা থেকে দলে দলে নেতা, কর্মী, আর জনতা সমবেত হন, উপশহর পূর্বাঞ্চল এর তিন শত ফুট প্রস্থ সড়কে স্থাপিত অভ্যর্থনা মঞ্চ ঘিরে। এমনটি শুধু ঢাকার পূর্বাঞ্চল নয়, হযরত শাহ্-জালাল আন্তজার্তিক বিমান বন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত লাখো মানুষের এক গণজমায়েত, এক মিলন উৎসবে পরিনত হয়। র্যাব, পুলিশ, আনসার, বি.জি.বি ও সেনা সদস্যদের কর্তব্য পালনে হিমশিম খেতে হয়।
ইউটিউবার আর ফটো সাংবাদিকদের ঝটলা ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত সকলের চোখে মুখে দীর্ঘ অপেক্ষা আর অপেক্ষা, প্রিয় নেতাকে একবারের জন্য আপন নয়নে দেখবে; তাদের চোখে মুখে এক প্রত্যাশার ঝলকে আলোর দ্যূতি!
সত্যি, এ এক অন্য রকম মিলন উৎসব আর অপেক্ষার পালা! তাদের প্রীয়নেতাকে এক নজর দেখা এবং বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন; জাতির এক ক্লান্তিলগ্নে দিক নির্দেশনাপূর্ণ অভিভাষণ শোনার অপেক্ষা!
এ ছিল অভূতপূর্ব এক নাগরিক সমাবেশ। প্রায় সকলের হাতে ব্যানার, ফেস্টুন, অনেকের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। সকলের মুখ থেকে সমবেত কণ্ঠে স্লোগান- তারেক, জিয়া; তোমার নেতা, আমার নেতা, তারেক জিয়া, তারেক জিয়া। তিনি এমন একটি সময় বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন, যখন বাংলাদেশের শাসনতন্ত্রের গণতন্ত্র খাচাঁয় বন্দি। অপর দিকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের পুরোধা ব্যক্তিত্ব বেগম খালেদা জিয়া জীবন মৃত্যুর শেষ সায়ান্যে দাড়িয়ে; তাই সামগ্রীক পরিবেশ ছিল উতকন্ঠা আর বিপদ সংকুল বেদনাবিধুর।
ষড়ঋতুর বাংলাদেশে পৌষ ও মাঘ শীতকাল। এ সময়টা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক আসে নদী মাতৃক বাংলাদেশের প্রকৃতি , জলবায়ু এবং বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের সৌন্দর্য অবলোকন করার নিমিত্তে। এছাড়া ভূ-রাজনীতিতে কক্সবাজার এবং সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের এক নৈঃসর্গিক প্রেক্ষাপট। কিন্ত ২০২৫ এর শীত মৌসুমে হিমালয়ের হিমেল হাওয়া উত্তর অঞ্চলের জনপদকে শীতল করে কুয়াশার চাদরে ঢেকে দিয়েছে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত। এরি মধ্যে সকাল ১১ টা ৪৫ মিনিট বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্ল্যাইটে লন্ডন হিথ্রো বিমান বন্দর থেকে ছিলেট ওচমানি বিমান বন্দর হয়ে ঢাকা আসেন। তার সঙ্গী ছিলেন স্ত্রী ডঃ জোবায়দা রহমান এবং এক মাত্র কন্যা যায়মা রহমান।
তাদের বহন করা বিমানটি প্রথমে সিলেট উসমানি আন্তযাতিক বিমান বন্দরে অবতরন করে এবং ১ ঘন্টা যাত্রা বিরতি দিয়ে ঢাকা আন্তযাতিক বিমান বন্দরে সকাল ১১ টা ৪৫ মিনিটে অবতরন করেন। বিমানের দরজা খুলে দিলে তারেক জিয়া মুক্ত বাতাসে নিস্বাস নেন। এবং ধীরলয়ে নেমে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। তিনি হাটি হাটি পায়ে বিমান বন্দরের অভ্যান্তরের ফুল বাগানে যান এবং পায়ের যুতা মুজা খুলে বাংলার নরম মাটিতে পা ফেলেন। বাংলার কোমল মাটির সানিদ্ধে তিনি সিক্ত হন। এর পর এক মুঠো মাটি হাতে নিয়ে বাংলার প্রকিতি ও স্নিগ্ধ মাটির ঘ্রানে হৃদয়টি সিক্ত করেন। এমনটি এক অভাবনিয় দৃশ্য! যা বাংলার মাটি ও মানুষের হৃদয় কেড়ে নেয়। এবং প্রকৃতির এক স্নিগ্ধ রূপ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। এমন একটি মুহুর্ত, সত্যি হৃদয়কে নাড়া দেয়।
২৫ ডিসেম্বর; হযরত ঈসা (আঃ) অর্থাৎ যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন। সমগ্র বিশ্ব এই দিনটিতে মেতে উঠে ধর্মীয় প্রার্থনা, উৎসব আর আনন্দে। কিন্ত পঁচিশ ডিসেম্বর ২০২৫, সমগ্র বাংলাদেশ অন্যরকম এক মিলন উৎসব বা তারুণ্যের প্রতীক তারেক রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এর মধ্য দিয়ে এক গণতান্ত্রিক শ্বাসনতন্ত্রে উত্তরণের এক রাজনৈতিক উৎসব। যা প্রাপ্তি ও প্রতাশার এক মিলন উৎসবে পরিণত এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংগ্রাম ও সাংবিধানিক শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দীর্ঘ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। যে স্বাধীনতার মূল ভিত্তি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং সুশাসন। কিন্ত স্বাধীনতার এই চুয়ান্ন বছরে বার বার সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এর ব্যতয় ঘটেছে। ৫ই আগস্ট ২০২৪, ছাত্র-জনতার উত্তাল আন্দোলনে এক কর্তৃতবাদী শাসনতন্ত্র থেকে জাতি মুক্তি পেলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এর একনায়কতান্ত্রীক শাসন ব্যবস্থা ও মব জাস্টিস শান্তি প্রিয় জনগণকে নিদ্রাহীন করে তুলেছে। ঠিক এই মুহূর্তে জনাব তারেক রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন; জাতিকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে জাগ্রত করার সুযোগ করে দিয়েছে।
এখন প্রয়োজন সকল রজনৈতিক দল, মত ও নাগরিক জাগরণের মধ্যদিয়ে জাতীয় ঐক্য এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। যাতে গণতান্ত্রের রথযাত্রায় জাতি এগিয়ে যেতে পারে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস এই অজেয় যাত্রায় তারেক রহমান ধৈর্য ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। ইনশাল্লাহ।
আল্লাহ পাক তাঁর সৃষ্টিকে প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য বৃষ্টি প্রেরণ করেন। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ এই দিনটি ছিল অনেকটা বৃষ্টি ভেজা। পূর্বদিন থেকেই উত্তরের শীতল হাওয়া আর কুয়াশার চাদরে আচ্ছন্ন ছিল সমগ্র বাংলাদেশ। তবুও ঢাকার পূর্বাচলে অপেক্ষারত মানুষের মাঝে ছিল আনন্দ, উল্লাস আর প্রাণচাঞ্চলতা। দলে দলে মানুষ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা থেকে সকল প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সমবেত হয়েছে তারেক রহমানের অভ্যর্থনা মঞ্চ ঘিরে। সকলের চোখে মুখে উচ্ছ্বাস, আর অন্য রকম এক প্রাপ্তির ছোঁয়া; সকলের কণ্ঠে এক বিজয়ের গান। নেতা আসছে, তারেক জিয়া আসছে! - সত্যি, এ এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক ক্যানভাস!
অজেয় যাত্রায় তারেক জিয়া; এই অভিধায়, বাংলাদেশের মানুষ আজ দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ । মুক্তিযুদ্ধ একাত্তর এর সেই পরাজিত শক্তি, কোন এক মেটিকুলাস ডিজাইন এর মাধ্যমে পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আঘাত করুক, এমনটি স্বাধীনচেতা বাঙালি জাতি প্রত্যাশা করে না। - এই সত্যটিকে ধারণ করে সম্মিলিত ভাবে সকলকে এগিয়ে যেতে হবে। সাংবিধানিক সংস্কারের নামে রাষ্ট্র কর্তৃক মব জাস্টিস এবং মুক্তিযুদ্ধের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান, অপদস্ত এবং জাতীয় ঐক্যের মূলস্তম্ভ আঘাতে আঘাতে গুটিয়ে দেয়া প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ আজ নিয়ন্ত্রণহীন এক অগণতান্ত্রিক শ্বাসনতন্ত্রে নিমজ্জিত। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ; এই অজেয় যাত্রায় তারেক জিয়া প্রান্তিক মানুষের আশার আলো।
আজ তারেক জিয়া তারুণ্য ও নেতৃত্বের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক; বীরত্বের প্রতীক। তাঁকে ঘিরে যে ঐতিহাসিক সমাবেশ ও অভ্যর্থনা; লাখো মানুষের সহাবস্থান, এ এক অভূতপূর্ব মুহূর্ত, এক অন্য রকম দৃশ্যপট; এই সত্যকে ধারণ কওে সকল দল মত নির্বিশেষে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। তবেই আমরা কাংখিত গণতন্ত্রে এগিয়ে যাবো।
তবুও বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের রাজনীতির এই মেঠোপথ কখনো মসৃণ নয়; তার উপর বাংলাদেশ আওয়ামী-লীগ ও স্বাধিনতার পক্ষের এক বৃহত রাজনৈতিক পক্ষের যোটকে জাতীয় নির্বাচন থেকে দূরে রেখে প্রধান অন্তবর্তি সরকার ও নির্বাচন কমিশন যে জটিলতা সৃষ্টি করেছেন, পরবর্তী সরকারকে তার মোকাবেলা করতে হবে। সুদৃঢ় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এই মহান নেতার অজেয় যাত্রা আরও ধৈর্য, সহনশীলতা ও কৌশলি দৃষ্টি সম্পন্ন হতে হবে। পররাষ্ট্রনীতিতে রাখতে হবে পারস্পরিক সৌহাদ্যপূর্ণ ও রক্ষণার্থক সম্পর্ক। জাতীয় র্নিবাচন ২০২৬, বিজয় অর্জন হোক সংকল্প। এমনটি হোক অঙ্গিকার। তবেই দেশ ও রাষ্ট্র নিরাপদ থাকবে। জনগণ খুঁজে পাবে গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার। ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় ভোটের র্নিবাচন জমে উঠেছে। তিনিও উৎসব মুখর পরিবেশে সভা সমাবেশ করছেন। তবে সতর্ক থাকতে হবে, নতুন কোনো মেটিকুলাস ডিজাইনের মধ্যে দিয়ে জনগনের ভোটাধিকার যেনো হরন করা না হয়। এর জন্য প্রয়োজন হবে পূর্ব সতর্কতা, বলিষ্ট পদক্ষেপ এবং সম্মিলিত পতিরোধ। যাতে রাতের আধারে র্নিবাচনি ফলাফল পাল্টে না যায়।
১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন ও গণতন্ত্রের পূনগঠনে “গণভোট”! যা ভবিষৎ সাংবিধানিক সংকট ও সূন্যতা সৃষ্টি করবে। দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়বে সমগ্র যাতী। তবুও এই নতুন ধারা ও অধ্যায়; একটি জাতি গঠনে শতবাঁধা পেরিয়ে সাংবিধানিক শাসনতন্ত্র, পূনঃগঠন, নের্তৃত্ব ও ঐক্যের বিকল্প নেই। তারুণ্য ও নের্তৃত্বে তারেক জিয়ার এই অজেয় যাত্রা। জাতিকে নির্দিষ্ট পথরেখায় চালিত করবে এমটি সর্বস্তরে মানুষের প্রত্যাশা। বিগত দিনের জাতীয় র্নিবাচনে বিএনপি র্নিবাচনী হিসাব কষলে দেখা যায় ভ্যালট পেপারে নৌকা প্রতীক থাকলেও এ র্নিবাচনে বিএনপি ১৭০ থেকে ১৮০ আশন পেয়ে সরকার গঠন করার কথা। কিন্তু নৌকা প্রতিক না থাকায় বিএনপি ২৭০ থেকে ২৮০ আশনে বিজীত হবেন! কিন্তু না, একটি মেটিকুলাস ডিজাইন সকল হিসাব নিকাস পাল্টে দিতে পারে। আশু সংকটে পড়তে পারেন এই তারুণ্যের অজেয় যাত্রা!
জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সফল হোক। প্রান্তিক মানুষের কাংখিত লক্ষে পৌছে যাক তারুণ্যের প্রতীক, গণতন্ত্রের সারথী, তারেক রহমান এর এই অজেয় যাত্রা।


