এসেটের ৪২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে হরিলুট

  • প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:১২
  • আপডেট: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকাল ০৬:৪২
WhatsApp Image 2026-09-07 at 4.03.54 PM
পর্ব-১ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে দুর্নীতি

মোঃ আলমগীর হোসেন:

জালিয়াতি সিন্ডিকেট এতটাই শক্তিশালী, তাদের হাত এতটাই লম্বা যে কোন দিন, যে কোন সময় জীবননাশ হতে পারে। তা সত্তেও দেশমাতৃকার প্রেম, দায়িত্ববোধ ও বিবেকের তাড়নায় এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছি। সিন্ডিকেটটি আওয়ামীলিগ আমল খেয়েছে, ইন্টেরিম সরকার খাওয়া শেষ করে বর্তমানে বিএনপি সরকারের কাধে সওয়ার হয়েছে। সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করলেও থোড়াই থোড়াই কেয়ার করছে এই সিন্ডিকেট। এ যেন শাঁখের করাত আসতেও কাটে যাইতেও কাটে। সরকারি প্রতিষ্ঠান, একই ব্যক্তি, একই পদ, একই চেয়ার শুধু পার্থক্য টেন্ডার প্রতিষ্ঠানের। প্রতিষ্ঠানের মালিক পরিবর্তন হয়েছে, চেহারা পরিবর্তন হয়েছে, এতটুকুই। বাকি সব আগের মতোই। যেন দেখার কেউ নেই। তাইতো বলে সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল। এই দরিয়ার নাম এসেট প্রকল্প। যেখানে শত শত কোটি টাকার কারবার। সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের অর্থে নিজ আখের গোছাতে ব্যস্ত অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। যাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি আর সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে দেশের। অভিযোগ আছে, প্রকল্পটির কর্মকর্তারা মুখ দেখে যে বেশি কমিশন দেয় তাকে কাজ পাইয়ে দিচ্ছে। অভিযোগকারীদের তথ্যমতে এসেট প্রকল্পের কর্মকর্তারা পছন্দসই প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিকে টেন্ডারের আগেই গোপন তথ্য সরবরাহ করে। যে কারণে তাদের পছন্দসই ব্যক্তির বাহিরে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ পাওয়ার সুযোগ নেই। 

এসেট প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যো: এসেট প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাতেও টনক নড়ছেনা কর্তৃপক্ষের। এসেট প্রকল্পের ডিপিপি থেকে জানা যায়, বর্তমানে শুধু প্রথাগত পড়াশোনা দিয়ে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চাকরির বাজারে টিকে থাকাটা বড় কঠিন। সেই কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালে ASSET (Accelerate Skills for Employment and Training) Project-এর মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করে। 

ইশিখন (eShikhon) এই প্রজেক্টের প্রশিক্ষণ পার্টনার হিসেবে সরকার শিক্ষার্থীদের দিচ্ছে সম্পূর্ণ ফ্রি আইটি ট্রেনিং এবং সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে থাকা NSDA সার্টিফিকেট পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে এখানে। সরকারি খরচে কাজ শিখে নিজের ক্যারিয়ারকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার জন্যই প্রতিষ্ঠানটির সৃষ্টি।এটি বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের একটি বিশেষ উদ্যোগ। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের তরুণদের আধুনিক আইটি (IT) এবং ডিজিটাল স্কিল শিখিয়ে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চাকরির বাজার বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য যোগ্য করে তৈরি করা। 


ASSET Project-এর মূল উদ্দেশ্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট:

শুধু বই পড়ে নয়, বরং প্রতিযোগিতার জামানায় যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমানে চাকরির বাজারে যেসব কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, সে দিকে খেয়াল রেখে আইটি স্কিলগুলো হাতে-কলমে শেখানো।

কর্মসংস্থান ও ফ্রিল্যান্সিং: 

প্রশিক্ষণ শেষ করে শিক্ষার্থীরা যেন সরাসরি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি পেতে পারে বা অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারে, সেই 

ব্যবস্থা করা।

সরকারি স্বীকৃতি: 

কোর্স শেষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে NSDA সার্টিফিকেট দেওয়া হয়, যা আপনার যোগ্যতার একটি শক্তিশালী সরকারি প্রমাণ।

আর্থিক সহায়তা: 

শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এবং যাতায়াত খরচ মেটাতে কোর্স চলাকালীন নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সরকারি বৃত্তি (Stipend) প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ASSET Project–এর আওতায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিচের সুবিধাগুলো পাবেন বলে প্রকল্পটির মূল ধারায় উল্লেখ আছে। 

১. সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স:

৩ মাসের এই কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রি, কোনো কোর্স ফি নেই। অর্থাৎ আপনি নিজের খরচ ছাড়াই প্রয়োজনীয় IT স্কিল অর্জন করতে পারবেন।

২. NSDA সার্টিফিকেট:

কোর্স শেষে আপনাকে দেওয়া হবে NSDA (National Skills Development Authority) সার্টিফিকেট, যা অনেক ক্ষেত্রে SSC/HSC সমমানের গুরুত্ব বহন করে এবং চাকরি বা প্রজেক্টে আপনার দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।

৩. মাসিক ভাতা (Stipend):

প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতি মাসে আনুমানিক ১৫০০–২০০০ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হবে। মোট সুবিধা, যেমন যাতায়াত এবং প্রশিক্ষণ ম্যাটেরিয়ালসহ, প্রায় ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

৪. ভবিষ্যতে ইনকাম ও ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ:

কোর্স শেষে শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন

চাইলে অথবা ভবিষ্যতে Instructor বা Mentor হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পাবেন নিজস্ব প্রজেক্ট বা ব্যবসায় স্কিল প্রয়োগ করার প্রস্তুতি নিতে পারা। বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের যোগ্য করে গড়ে তুলতে ২০২১ সালে শুরু হয় “এসেট প্রকল্প”, যার মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত। বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সম্প্রতি এই প্রকল্পে সংঘটিত ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও আর্থিক অসঙ্গতি সংক্রান্ত গুরুতর অপরাধের বিস্তৃত চিত্র তুলে ধরে গত ২৩ জুন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটির বিভিন্ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব, অনিয়ম এবং আর্থিক দুর্নীতির ঘটনা ঘটে আসছে, যার ফলে প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং এর লক্ষ্য অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। এজন্য প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসান, উপ-প্রকল্প পরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ মাহাত, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সেলিম ভূইয়া, প্রকিউরমেন্ট, ফিনান্স ও প্রশাসন মোঃ মুন্জুরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নূর আলমসহ ফাইনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্টদের বিরুদ্ধে একটি সিন্ডিকেট গঠন করে দুর্নীতির মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না দিলে বিল আটকে রাখা, পারসেন্টেজে সমঝোতা না হলে পুনরায় টেন্ডার আহ্বান করা এবং টেন্ডার মূল্যায়নের পর দীর্ঘদিন ফাইল স্থগিত রাখার মতো অনিয়ম নিয়মিতভাবে ঘটছে। 

দৈনিক ভোরের সময়'র গভীর অনুসন্ধানে সঠিক ও সত্য উদঘাটন করার চেষ্টা করা হয়েছে। চেষ্টা করা হয়েছে, কিভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কম সময়ের মধ্যে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। কিভাবে উর্দধতন কর্তৃপক্ষের চোখে ধুলো দিয়ে, বোকা বানিয়ে শত শত কোটি টাকার এই প্রকল্পের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে এবং করছে। এই প্রকল্পের অর্থ দিয়ে কে কি অট্টালিকা তৈরি করেছে। কি কারণে সুস্থ মানুষকে অসুস্থ সাজিয়ে অন্যত্র বদলি করিয়েছে। কেন বাজেয়াপ্ত কালো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় কাজ দেওয়া হয়েছে। কার কি সার্থ সেটা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে উপ-প্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্রনাথ মাহাতের বিরুদ্ধে এন্টারপ্রাইজ বেইজড ট্রেনিং (EBT), সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ ও কমিউনিকেশন কার্যক্রমে অনিয়মের বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, পর্যাপ্ত সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চুক্তি করে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে।এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ইবিটি কার্যক্রমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান এবং প্রতি অকুপেশনে ৮৬,০০০ টাকা করে গ্রহণের মতো আর্থিক অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে।অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, শর্ট কোর্সের পিএমইউ সাপোর্ট সার্ভিসের অর্থ কর্মচারীদের প্রদান না করে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। উপ-প্রকল্প পরিচালক মোঃ মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসন, অর্থ ও প্রকিউরমেন্ট কার্যক্রমে অনিয়ম এবং আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে কাজ প্রদান করার অভিযোগ আনা হয়েছে। একইসঙ্গে পারসেন্টেজে সমঝোতা না হলে টেন্ডার পুনরায় আহ্বান বা মূল্যায়ন শেষে দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরএফও পদ্ধতির মাধ্যমে কোনো প্রকৃত ক্রয় ছাড়াই অর্থ উত্তোলনের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।এছাড়া ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের বিভিন্ন অডিট আপত্তি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের বাইরে একটি ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী।ইবিটি, প্রকিউরমেন্ট, আরপিএল এবং শর্ট কোর্স কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগকারীরা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা মনে করেন, এই ধরনের তদন্ত প্রকল্পে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উক্ত অভিযোগপত্রের অনুলিপি অর্থ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।উল্লেখ্য যে, একাধিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী অর্থ ব্যবহার কম হওয়ায় প্রকল্পের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে এবং সরকারকে অব্যবহৃত ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই প্রকল্পের মুল লক্ষ্য ছিল ২২০টি প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন অনুদানের আওতায় আনা। বাস্তবে এখন পর্যন্ত ১৭২টি প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ব্যয়ের হারও তুলনামূলকভাবে কম- এই পর্যন্ত ব্যবহৃত অর্থ মাত্র ৪৮.৪১ কোটি টাকা।অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ৪০০ কোটি টাকা ঋণ ছাড় করা হলেও ব্যয়ের হার মাত্র ০–৫ শতাংশের মধ্যে। ফলে অব্যবহৃত অর্থের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে সরকারকে, যা জনগণের করের অর্থ থেকে মেটানো হচ্ছে।‎বিশ্লেষকদের মতে, দায়িত্বহীনতা, দুর্বল তদারকি ও ব্যবস্থাপনার অভাব প্রকল্পের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাদের পরামর্শ-এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে, যেমন কর্মকর্তাদের পুনর্বিন্যাস, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি—প্রকল্পটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যর্থ হতে পারে।

এ সকল বিষয়ে সরেজমিন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে গিয়ে প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসানের সাথে কথা বলতে চাইলে তার সংযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লা আল নোমানের মাধ্যমে অপারগতা প্রকাশ করেন। 


দ্বিতীয় পর্বে তুলে আনবো এই প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা কে কি পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে। দেখতে চোখ রাখুন------চলবে।

Ad