বকশিগঞ্জে নিহত সাংবাদিকের পরিবারের পাশে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ

  • প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৫, বিকাল ০৭:০৪
sang

আনিছুর রহমান রুবেল:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলক্ষিয়া ইউনিয়নে নিহত সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিমের পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ৭ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দপ্রতিনিধিদল শনিবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বিকাল ৩টায় নাদিমের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছপ্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের প্রধান সম্পাদক নাগরিক সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক,সহকারী পরিচালক ও ইউনিট প্রধান রেজাউল করিম রেজা, ময়মনসিংহ জেলা ইউনিট প্রধান (অনুসন্ধান)মাওলানা আব্দুল মান্নান,সহকারী পরিচালক (আইন) মোহাম্মদ আলী আবির,সহকারী পরিচালক ও ইউনিট প্রধান (অনুসন্ধান) ঢাকা জেলা আনিছুর রহমান রুবেল,সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) গাজীপুর মোঃ আবুল কাশেমএছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল লতিফ (লায়ন), সাধারণ সম্পাদক মাসূদুল হাসান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু সহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃএসময় সংগঠনের সভাপতি, খায়রুল আলম রফিক নিহত নাদিমের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যে কোনো আইনি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করনিহত নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বলেন, “আমার স্বামী একজন গণমাধ্যম কর্মী। তার অকাল মৃত্যুতে আমি ও আমার পরিবার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছি। ৩ সন্তানসহ আমি মানবেতর জীবনযাপন করছি। স্বামীর হত্যার দুই বছরেরও বেশি সময় গেল—তবু আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। প্রশাসনের কিছু লোক টাকা গ্রহণ করে মূল আসামিদের চার্জশিট থেকে বাদ দিয়েছে। ২২ জন সঙ্ঘবদ্ধ হত্যাকারীর মধ্যে মাত্র ৯জনকে চার্জশিটভুক্ত করা হয়েছে; মূল অভিযুক্তদের বাদ দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, তার উপর ও তার পরিবারের উপর মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেখানো হচ্ছে। মনিরা বেগম বলেন, “টাকা-সম্পদের প্রলোভন হলেও আমি আপস করব না; আমি আমার স্বামীর ন্যায়বিচার চাই—যাদের কারণে আমি বিধবা ও আমার সন্তানরা এতিম হয়েছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদপ্রসঙ্গত, প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে ১৪ জুন (রাত ১০টা) পাঠহাটি এলাকায় গোলাম রাব্বানী নাদিমের উপর হামলা চালানো হয় এবং পরবর্তীতে তাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে ১৫ জুন (চিকিৎসাধীন অবস্থায়) তিনি মারা যান। রিপোর্টে হামলার প্রেক্ষাপট হিসেবে নীলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বাবুর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচারের বিষয়টিকেই দেখানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের মধ্যে তার ছেলে রিফাতসহ প্রায় ২০ জনের নাম নেই বলে বলা হয়েছে। (উল্লেখ্য: উপরের পাঠ্যে ২০২৩ এবং ২০২৫—দুইটি ভিন্ন বছর উল্লেখ রয়েছে; উহার সত্যতা যাচাই সৌজন্যে সাক্ষাৎ শেষে, নিহত নাদিমের কবর জিয়ারত ও তার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং এটি বিজ্ঞ আদালতের বিষয়; তবু আইনগত কোনো নির্দেশনা থাকলে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখবেন।

করা প্রয়োজন।



Ad