বরগুনায় র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মরণোত্তর সম্মাননায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

  • প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ০৭:১৯
  • আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ০৭:১৯
WhatsApp Image 2026-10-01 at 4.44.58 PM

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে বরগুনায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়েছে।বুধবার (১ অক্টোবর ২০২৬) বরগুনা জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা বিভাগ ও বরগুনা জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের যৌথ আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন হাওলাদার ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এস এম শাহজাদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বরগুনা জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের মহাসচিব মনির হোসেন কামাল।

‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বরগুনা জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সহসভাপতি এ জেড এম সালেহ ফারুক, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, বরগুনা জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আবদুস শাকুর, বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পরিচালক ডা. হুমায়ুন শাহিন খান, বরগুনা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, বরিশাল আলেকান্দা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. লিয়াকত হোসেন জুয়েল, বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ূন হাসান শাহিন এবং জেলা পরিষদ প্রশাসকের সহধর্মিণী লুবনা ইসলাম।এ ছাড়া প্রবীণ হিতৈষী সংঘের আজীবন সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা ও সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে তাদের আরও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভা শেষে বরগুনা জেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব মো. মোকসেদ আহমেদ খান, সহসভাপতি আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ মিয়া এবং মহাসচিব অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খানকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তানরা সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।দিবসটির আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রবীণদের প্রতি সম্মান, তাঁদের অবদান স্মরণ এবং সমাজে তাঁদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব নতুন করে উঠে আসে।

Ad