মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদে দাউদকান্দিতে ব্যবসায়ী নেতা পিটার চৌধুরীর সংবাদ সন্মেলন
সালমা আক্তার, কুমিল্লা,
চাঁদা না দেওয়ায় মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন এবং সন্মানহানির অভিযোগ করেছেন, দাউদকান্দি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নবনিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক পিটার চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দাউদকান্দি সদরে এক সংবাদ সন্মেলনে পিটার চৌধুরী বলেন, আমি দাউদকান্দি পৌর সদরে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পদে দায়িত্ব পালন করছি। স্বাধীনতা পূর্বকাল থেকে আমার বাবা আবদুল লতিফ চৌধুরী এই এলাকার একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী,বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবী ছিলেন। বৃহত্তর কুমিল্লাবাসী তাঁকে এক নামে চিনতো। আমরা দুই ভাই বাবার রেখে যাওয়া বিশাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত সুনামের সাথে পরিচালনা করছি। সম্প্রতি পৌর প্রশাসক মহেদয় আমাকে দাউদকান্দি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সেক্রেটারী পদে নিয়োগ দিয়েছেন। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগপন্থী কথিত সাংবাদিক হোসাইন মোহাম্মদ দিদার দাউদকান্দি বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নিউজ করার নামে আমার কাছে মোটা অংকের টাকা (চাঁদা) দাবি করেছে। আমি তাকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, সে আমাকে জড়িয়ে 'মেঘনা অনলাইন নিউজ পোর্টালে' একটি মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও সন্মান ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে তিনি এই কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করেছে। আমি এই মিথ্যা বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিক দিদার আওয়ামী লীগের দোসর, একজন কুখ্যাত চাঁদাবাজ। আমার অফিস স্টাফ মো. তারেকের কাছে সম্প্রতি সে চাঁদা দাবি করেছে। এই ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। তাকে দ্রুত আইনের আওতায় নেয়ার দাবি জানাচ্ছি। পিটার চৌধুরী বলেন, পার্শ্ববর্তী মেঘনা উপজেলার ভাটেরার চর গ্রামের বাসিন্দা হোসাইন মোহাম্মদ দিদার।
সে অখ্যাত,অজ্ঞাত আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাউদকান্দিতে নিরবিচ্ছিন্ন চাঁদাবাজি করছে। এলাকায় নানা অপকর্মের কারণে গ্রামবাসী তাকে বের করে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের এক নেতার হাত ধরে সে দাউদকান্দিতে বসবাস শুরু করেছে। তার ব্যবসা বাণিজ্য নেই,শুধুমাত্র চাঁদাবাজির উপর নির্ভর করে এই কথিত সাংবাদিক দিদার পরিবার নির্বাহ করছে। দিদারের আয় রোজগারের খোঁজ খবর নিলে চাঁদাবাজিসহ তার সকল অপকর্মের মুখোশ উন্মোচিত হবে।
এই অতিশয় ধূর্ত ও ধুরন্ধর দিদারকে মিথ্যা নিউজ সম্পর্কে আমি জিজ্ঞেস করলে, সে ফেসবুকে প্রচার করেছে,আমি নাকি তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছি। তাও আাবার থানার সামনে। যা নির্জলা মিথ্যা, সত্যের লেশমাত্র নেই। সে নিজের চাঁদাবাজির কুকীর্তি আড়াল করতেই নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে। আমি এই হলুদ চাঁদাবাজ সাংবাদিকের গ্রেফতার ও শাস্তি চাই। নতুবা তার কারণে সমাজ কলুষিত হবে, অন্য সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিককেও মানুষ বাঁকা চোখে দেখবে।সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন..দাউদকান্দি পৌর বিএনপি'র আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ সেলিম সরকার



