চকরিয়ায় অপহরণের ৪ ঘন্টা পরে ছাত্রদল নেতার মৃতদেহ উদ্ধার

  • প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:০৩
  • আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:০৩
WhatsApp Image 2026-09-28 at 11.56.03 AM

এম নুরুল আমিন টিপু,চকরিয়াঃ 

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৮) অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ছাত্রদল নেতা জিসান কাকারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশনের একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে কয়েক ব্যক্তি এসে তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের।জিসানকে তুলে নেওয়ার পর স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরিবারের দাবি, অপহরণের পর তাকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।পুলিশ জানায়, অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর সোমবার ভোরে কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় জিসানের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তার হাত-পা বাঁধা ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।এদিকে জিসান হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি বলেন, জিসান ছাত্রদলের একজন উদীয়মান ও সক্রিয় নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি খুনিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা না হয়, তাহলে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন বলেন, জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত করছে।

Ad