কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে চার বছরে কমেছে ৩৮ হাজার পরীক্ষার্থী

  • প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, বিকাল ০৫:২০
  • আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬, বিকাল ০৫:২০
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে চার বছরে কমেছে ৩৮ হাজার পরীক্ষার্থী

জিএম মাকছুদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১২ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। টানা কয়েক বছর ধরে এ বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। সর্বশেষ চার বছরে মোট কমেছে ৩৮ হাজার ৯৪ জন পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হচ্ছে এবারের এসএসসি পরীক্ষা। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে থাকা ছয় জেলার ২৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর কেন্দ্র ছিল ২৭৩টি। সে হিসাবে এবার কেন্দ্র বেড়েছে চারটি। শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, ২০২৫ সালে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০ জন। ২০২৪ সালে ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৯ জন এবং ২০২৩ সালে ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ১০৬ জন। ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা এ পরিসংখ্যান শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের নজর কেড়েছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে এবারও মেয়েদের অংশগ্রহণ বেশি। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেয়ে ৮৮ হাজার ৬২ জন এবং ছেলে ৫৮ হাজার ৯৫০ জন। সব বিভাগেই মেয়েদের সংখ্যা ছেলেদের চেয়ে বেশি। তিনটি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে। জেলার হিসেবে কুমিল্লা থেকেই সবচেয়ে বেশি ৫১ হাজার ৬৪৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, যা মোট পরীক্ষার্থীর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যায়ও শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা জেলা। সেখানে কেন্দ্র রয়েছে ১০২টি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ২১টি কেন্দ্র রয়েছে ফেনী জেলায়। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মো. কবির উদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বলেন, নীতিমালা অনুসারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শামছুল ইসলাম বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী সম্প্রতি সচিবালয়ে এক সভায় জানিয়েছেন, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় নীরব বহিষ্কার থাকবে না। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেন অযথা ভীতি তৈরি না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Ad