কুমিল্লায় তাজমিনকে ধর্ষণের পর গলা চেপে হত্যা করেন সিএনজি চালক সুমন: সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের দাবি

  • প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ০৭:১৮
  • আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ০৭:১৮
WhatsApp Image 2026-10-10 at 6.29.26 PM

জিএম মাকছুদুর রহমান:

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পংকজ বড়ুয়া এসব তথ্য জানান। পুলিশ জানায়, গত ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার জোড়কাননপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইলের পাশ থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে। পরে এ ঘটনায় লালমাই থানায় হত্যা মামলা হয়। তদন্তে জানা যায়, ৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য সুমনের অটোরিকশা ভাড়া করেন তাজমিন। গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে সুমন তাঁকে নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাজমিন পালানোর চেষ্টা করলে সুমন গামছা দিয়ে তাঁর গলা চেপে ধরেন। পরে ধর্ষণ করে মাথা চেপে ধরে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন বলে পুলিশের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, হত্যার পর তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান সুমন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাখরাবাদ এলাকার একটি পুকুরপাড়ের জঙ্গল থেকে ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

Ad