দেবিদ্বারে আলহাজ্ব আবুল কাসেম চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক জনির জমি সংক্রান্ত বিরোধের অবসান

  • প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:১৯
  • আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ০৪:১৯
WhatsApp Image 2026-09-20 at 3.24.20 PM

সিনিয়র রিপোর্টার:

কুমিল্লার ​দেবিদ্বারে স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং অভিজ্ঞ আমিনদের উপস্থিতিতে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে আলহাজ্ব আবুল কাসেম চেয়ারম্যান এবং সাংবাদিক ফারুক হোসাইন জনির মধ্যকার জমিজমা সংক্রান্ত ভুল বোঝাবুঝি ও দীর্ঘদিনের জটিলতার অবসান ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের সম্মতিতে ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় আয়োজিত শালিস বৈঠকে জমি সংক্রান্ত বিরোধের একটি সুষ্ঠু ও ন্যায়ভিত্তিক সমাধান করা হয়। এই উদ্যোগের ফলে দুই পক্ষের মধ্যকার মানসিক দূরত্ব ও জটিলতার চির অবসান ঘটে।​বিরোধ নিষ্পত্তির পর সন্তোষ প্রকাশ করে আলহাজ্ব আবুল কাসেম চেয়ারম্যান বলেন, "আমাদের মধ্যে যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছিল, তা মূলত একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় ছিল। এলাকার মুরুব্বী ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যস্থতায় আজ তা সুন্দরভাবে মীমাংসা হয়ে গেছে। আমরা অতীতেও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে চলেছি এবং ভবিষ্যতেও এলাকার শান্তি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।" ​সাংবাদিক ফারুক হোসাইন জনি বলেন, আমাদের পৈত্রিক মোট ৫০ শতক সম্পত্তি ৩ ভাগে বিভক্ত ছিল। আমাদের ভাগের সম্পত্তি আমরা বিক্রি করিনি, তবে আমার চাচা ও জেঠারা তাঁদের অংশের সম্পত্তি পূর্বেই বিক্রি করে দিয়েছিলেন। ​পূর্বে যখন আমরা আমিনের (সার্ভেয়ার) মাধ্যমে জমি মাপজোপ করি, তখন পরিমাপে কিছু গড়মিল ধরা পড়ে। এর ফলে আমাদের জমির কিছু অংশ আশপাশের জমির মালিকদের দখলে চলে যায়; বিশেষ করে এর একটি বড় অংশ কাসেম চেয়ারম্যানের দখলে ছিল। ​সম্প্রতি সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এবং সরজমিনে মাপজোঁপ করার পর, কাশেম চেয়ারম্যানের দখলে থাকা আমাদের প্রায় ১.৫ (দেড়) শতক বেদখল জমি সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয় এবং তা আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আজ যে ন্যায়ভিত্তিক সমাধান হয়েছে, তাতে আমরা উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট। এই উদ্যোগের সাথে জড়িত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।"​ শালিস বৈঠকে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের মাধ্যমেই যেকোনো জটিল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও সদিচ্ছায় এই বিরোধের সুন্দর অবসান হওয়ায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। দুই পক্ষের এই সুসম্পর্ক আগামীতেও বজায় থাকুক এবং এলাকার শান্তি ও পারস্পরিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই এখন সকলের একমাত্র প্রত্যাশা। ​উক্ত শালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পৌরসভা বিএনপির সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন ভলু পাঠান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা উত্তর জেলা সেক্রেটারি মো. সাইফুল ইসলাম শহীদ, দেবিদ্বার উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ভিপি ময়নাল হোসেন, দেবিদ্বার পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. তমিজ উদ্দিন, সাবেক কমিশনার মো. হাসান আলী, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, দেবিদ্বার পৌর যুবদলের সেক্রেটারি মো. মফিজুল ইসলাম এবং ভিপি ফারুক, বশির ও অলীউল্লাহসহ আরও অনেকেই

Ad