পাবনা-৩ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন

  • প্রকাশ: ১৮ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ০৩:১৪
Chat

পাবনা প্রতিবেদক ‍ঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাবনা-৩ (চাটমোহর–ভাঙ্গুড়া–ফরিদপুর) নির্বাচনী এলাকায় দিনদিন বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। আর এ মাঠে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। বিভিন্ন এলাকাজুড়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, তিনি জনপ্রিয়তার দিক থেকে এখন শীর্ষ অবস্থানে রয়েছেন। ভোটারদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ, সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন সামাজিক–মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কারণে তাঁর প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।


দলের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, প্রাপ্ত মনোনয়নকে তিনি জনগণের প্রতি দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করছেন। আগামী দিনে সুখে-দুঃখে, হাসি-আনন্দে জনগণের পাশে থেকে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন তিনি। একই সাথে ন্যায়ভিত্তিক, উন্নয়নমুখী ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির মাধ্যমে পাবনা-৩ আসনকে একটি আদর্শ নির্বাচনী এলাকায় পরিণত করার অঙ্গীকারও করেছেন।


রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব, সংগঠন পরিচালনার দক্ষতা ও তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের কারণে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনকে এলাকাবাসী একজন অভিজ্ঞ, যোগ্য ও ধারাবাহিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখছেন।


বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২১ সালে তিনি কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি নির্বাচিত হন, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষকদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরও আগে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনীত হন।


সাংগঠনিক রাজনীতির দীর্ঘ পথচলায় তরুণ বয়সেই তিনি নেতৃত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ২০১২ সালে এগ্রিকালচারিষ্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, যেখানে মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সুনাম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।


রাজনীতির সূচনা থেকেই তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯৮ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪–১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৯২ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (বাকসু) নির্বাচনে মিলনায়তন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ছাত্রজীবনের শুরুতেই, ১৯৯১ সালে তিনি কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের ছাত্র সমিতি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বলে জানা যায়। এরও আগে, ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পাবনা জেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক হন।


বহুমাত্রিক নেতৃত্ব, তৃণমূলসংগঠনের প্রতি গভীর সংযোগ, মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—এসব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে পাবনা-৩ আসনে তাঁর অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। জনগণের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ যোগাযোগ এবং নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

Ad