আর্থিক টানাপোড়েন ও পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধ

  • প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ০৪:৩৬

ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, গ্রাম : অমৃতপুর, পোস্ট : চন্দন কোটা,থানা: তানোর, জেলা: রাজশাহী এলাকায় বিগত 

০৩/০৩/২০১৩ ইং সালে,মো: আমেদ আলীর ছেলে মো: আমিনুল বিজিবি চাকরিতে ঘুষ বাবদ -সাখাওয়াত হোসেনের কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প চুক্তির মাধ্যমে মোট ৩,৫০,০০০(তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ) ধার নেন এবং টাকা দিতে না পারায় তার বিনিময়ে ১৫ কাঠা জমি বিক্রি করে। কিন্তু রেজিস্ট্রি করার সময় পারিবারিক ঝামেলা হয়। জমি রেজিস্ট্রি না হওয়ায় আইনের আশ্রয় নেয়। অবশেষে জমির রায় ঘোষণা করে।কিন্তু জমি রেজিস্ট্রি না দেয়ার জন্য নানান ছল-চাতুরির আশ্রয় অবলম্বন করতে শুরু করে। পাশাপাশি পৈত্রিক বসতভিটার ও কিছু অংশ ভোগদখল করে তারাই খাচ্ছিল অনেক বছর যাবত। গত ১৭/০১/২০২৬ ইং তারিখে একজন বেসরকারি আমিন দ্বারা সবার উপস্থিতিতে জমির মাপযোগ করা হয়। মাপ অনুযায়ী চিহ্ন স্বরুপ বাশের খুটি পুতে রাখা হয়। কিন্তু তারা সেই মাপ না মেনে,পরের দিন আনুমানিক সকাল ৯:০০ ঘটিকার দিকে জোরপূর্বক দখলের জন্য বাশের বেড়া দিতে শুরু করে। জমির মালিক তোফাজ্জল হোসেন গিয়ে নরম সুরে বাধা দিতে গেলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এবং বিভিন্ন ভাবে অপমান করে। তোফাজ্জল হোসেন গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আমেদ আলী বাশের লাঠি, লোহার রড, শাবল, দা, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারমুখী আচরন করে। তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী সেখানে গিয়ে জবাব দিলে তারা সবাই মিলে মারতে আসে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি/ মারধর শুরু করে। তোফাজ্জল হোসেন বাধা দিতে গেলে উভয় আঘাতপ্রাপ্ত হন।মামুনুর রশিদ জানান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের রক্ষার জন্য চেষ্টা করি।এ ব্যাপারে একাধিকবার গ্রামে সালিশ হলে,তারা সালিশ অমান্য করে।

এই ঘটনার ব্যাপারে তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মামুনুর রশিদ বলেন,গত ১৯/০১/২০২৬ তারিখে ০১৭৪৩৬৫১২৫৮ নম্বর থেকে দুপুর আনুমানিক ১:৪১ মিনিটে আমার কাছে কল আসে এবং ওসি পরিচয় দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ভয়-ভীতি দেয়। পরে থানায় গিয়ে জানা যায় নম্বরটি তানোর থানার না।পরে নম্বরটিতে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেন নাই।এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলার তানোর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

সরজমিনে তথ্য সংগ্রহ করলে ,আমেদ আলীর ছেলে মো: আমিনুলের চাকুরী বাবদ টাকা নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা মিলে। এ ব্যাপারে আমিনুলের ফোনে কলে বক্তব্য নিলে তিনি বলেন আপনার যা ইচ্ছা করেন। এবং টাকা ও জমি দিবে না জানায়। ঘটনাস্থলে আমেদ আলী আঘাত প্রাপ্ত হয় এবং থানায় মামলা করবে বলে উল্টো চাপ দেয়। 

আমেদ আলীর ছেলে মো: আমিনুল বিজিবিতে -ব্যাচ নং ৮৩, সৈনিক নং ৯৩০৫৬ বিজিবি তে কর্মরত।

Ad