গাজীপুরের কাসিমপুরে প্রতারক আঃ সামাদের চক্করে পড়ে নিঃস্ব হল বহু মানুষ
ফাতেমা আক্তার ঃ
গাজীপুরের কাসিমপুরে বসবাসরত মোঃ আঃ সামাদের চক্করে পড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে বহুলোক । মোঃ- আঃ ছামাদ, পিতা মোঃ- চান মিয়া, মাতা:- মজিদা খাতুন, ময়মনসিংহ, কাচারী বাজার তার স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা হচ্ছে:- কাশিমপুর পূর্ব এনায়েতপুর মফিজ ভিলা। মোঃ- সেলিম, পিতা মোঃ- অলি মিয়া, মাতা:- সেলিনা, সাং পূর্ব এনায়েতপুর কাশিমপুর এই প্রতারক অনেক মানুষের সাথে ব্যবসার কথা বলে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে মানুষের সরলতার ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তার পর শুরু করে প্রতারনা ।
তার প্রতারনার ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে অনেক মানুষ ৷ একজন ভুক্তভোগী রাজীব বললেন আমার জীবনের সবচেয়ে ক্ষতি করেন মোঃ- আঃ ছামাদ। সে আমাকে ফোনে বলেন ভাই আমি ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করেছি আমাকে তিন লাখ টাকা দেন দিলে লোনের টাকা টা পাব অনেক কিছু বলার পরে টাকা দিলাম। দুই দিনের কথা বলে নেয় আবার দুই দিনের মাথায় বললেন ভাই আরো তিন লাখ টাকা লাগবে। না হলে টাকা পাব না ভাই । এসব মায়াকান্না বিশ্বাস করে আবার আমি তিন লাখ টাকা দেই। তারপর শুরু করে প্রতারণা । দেই দিচ্ছি বলে টাল বাহানা করতে থাকে। তার প্রতারনার শিকার আরেক জন রানা গাজী বলেন,তার কাছ থেকে ব্যবসার শেয়ার হিসেবে থেকে তার লাভের অংশ দিয়ে সুন্দরভাবে জীবিকা নির্বাহ করা যাবে লোভ দেখিয়ে বুঝিয়ে বলে চৌদ্দ লাখ টাকা নেয়। কিছু দিন লাভের কিছু টাকা ধরিয়ে দেয় তার পর শুরু হয় টাল বাহানা। এর প্রতারণার শিকার আরেক জন হল বিকাশ রানা তার কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে ছয় লাখ টাকা নেয় ।টাকা নেওয়ার পর শুরু হয় টাল বাহানা এদের প্রতারনা শিকার আরেক জন হল মোঃ- সজীব হোসেন মেসার্স শাওন এন্টারপ্রাইজের মালিক তার কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে মেসার্স শাওন এন্টারপ্রাইজের নামে একটা ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন করে দেয় বিশ লাখ টাকা। এই লোনের টাকা লোন চালানোর কথা বলে ব্যবসায় লাভ হবে অনেক। তার কাছ থেকে পুরা টাকা টা নিয়ে যায়। ছয়শত টাকার স্ট্যাম্প করে অঙ্গীকার নামা দেয় যে এক লাখ পঁচিশ হাজার টাকা করে কিস্তি চালানোর কথা বলে আঠারো মাসের কিস্তি দেওয়ার চুক্তি করে কিন্তু এক পর্যায় এক দুই মাস কিস্তি দেওয়ার পর আর কোন টাকা দিতে পারে নাই।এক পর্যায়ে শোনা যায় মোঃ- আঃ সামাদ সে গ্রামের বাড়িতে ৬০ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি করে তার পর থেকে শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দেখিয়ে পার করে দেয় মাসের পর মাস ।এক পর্যায়ে,ভুক্তভোগী মোঃ- সজিব হোসেন ব্যাংকের লোনের টাকা মেসার্স শাওন এন্টারপ্রাইজের মালিক সমস্ত কিছু শেষ করে নিঃস্ব হয়ে ব্যাংকের লোনের টাকা পরিশোধ করেন ।এই বিষয়ে কাশেমপুর থানায় মোঃ- সজিব হোসেন বাদী হয়ে ২৮/০৬/২০২৫ ইং একটি অভিযোগ দায়ের করে এই অভিযোগের তদন্ত অফিসার ছিলেন এ এস আই তৌফিক । তিনি বদলী হয়ে যায় তার পর কাশেমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনিরুজ্জামান মনির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। এ বিষয় নিয়ে এত কিছু জানার পরও প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে কেন তা ভুক্তভোগীদের জানা নেই। আরেক জন ভুক্তভোগী, বাড়ি স্কয়ার মাস্টার বাড়ি মোঃ- সাদ্দাম হোসেন তার কাছ থেকেও বিভিন্ন কথা বলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসা দেওয়ার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা নেয় আজও পর্যন্ত তার এক টাকাও ফেরত দেয় নাই । ফোনে কল দিলে সে ফোন রিসিভও করে না এবং তাকে একটা শুধুমাত্র স্বাক্ষর করা অলিখিত চেক দিয়ে আট লাখ টাকা নেয় । ভুক্তভোগীরা বলছে এত প্রতারণার পর কি তাদের বিরুদ্ধে আইনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এই প্রতারককে অতি দ্রত গ্রেফতার করে আদালতের কাছে প্রেরণ করা হোক তানা হলে তার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নিঃস হবে আরো বহু মানুষ।


