চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ফায়ার সার্ভিসের মহড়া অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ০৬:৫৯
  • আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, বিকাল ০৬:৫৯
WhatsApp Image 2026-10-13 at 6.56.12 PM

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

“ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহযোগিতায় কালেক্টরেট গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখার সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আজমাইন মাহতাব।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক শেখ মো. মাহবুবুল ইসলাম, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শাহিনুর আলম, কালেক্টরেট গ্রিন ভিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম, পাঠানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা স্কাউটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফুল হক এবং নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​কর্মসূচির প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ক্ষিপ্র ও দক্ষ দল ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডজনিত দুর্যোগে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক সরাসরি মহড়া প্রদর্শন করে। মহড়ায় আকস্মিক বিপদের মুহূর্তে কীভাবে নিরাপদে আত্মরক্ষা করা যায়, দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনা এবং জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব—তা বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরা হয়।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “প্রাকৃতিক কিংবা মানবসৃষ্ট যেকোনো দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সচেতনতা, আগাম প্রস্তুতি এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। কেবল প্রশাসন বা উদ্ধারকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে পরিবার থেকেই সুরক্ষার ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।”বক্তারা আরও যোগ করেন, বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি নিশ্চিত করা গেলে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এজন্য প্রতিনিয়ত মহড়া জোরদার করা এবং সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

Ad