মন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বাদল কনস্ট্রাকশন এর স্বত্বাধিকারী গ্রেফতার

  • প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:৪২
  • আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:৪২
1000290294

সুলতান কবির :

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) সাদেকুল ইসলাম সবুজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট প্রকাশ ও শেয়ার করার অভিযোগে দায়ের করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় বাদল মিয়া (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কাশিল বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


গ্রেপ্তার বাদল মিয়া উপজেলার কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলামের ছোট ভাই।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় তানভীর আহসান সুমন, শাহাদাত মিয়া ও বাদল মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।


তাদের মধ্যে তানভীর আহসান সুমন তার ফেসবুক আইডি থেকে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ছবি ব্যবহার করে একটি পোস্ট দেন।


ওই পোস্টে মন্ত্রীকে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ব্যক্তি উল্লেখ করে তার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং অপসারণের দাবি জানানো হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মামলার অপর আসামি শাহাদাত মিয়া পোস্টটি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন।


এছাড়া মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সাদেকুল ইসলাম সবুজের ছবি ব্যবহার করে ‘সখীপুর এবং দেশবিদেশের নিউজ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে আরেকটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেখানে শ্বশুরবাড়ির লোক নাটোরে পিএস সবুজ লেখা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


এসব পোস্ট ও শেয়ারকে কেন্দ্র করে ৬ নভেম্বর ইবাদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে বাসাইল থানায় মামলা করেন। সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬-এর ২৫(১) ও ২৭(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে।


বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় বাদল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


Ad