সাংবাদিক পারুল আক্তারে জমি তদন্ত ঘিরে প্রশ্ন, সরারচর ভূমি কর্মকর্তার আজমল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত বানচালের অভিযোগ

  • প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১০:২৩
  • আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১০:২৩
1000259266

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাংবাদিক পারুল আক্তারের পৈত্যিক জমি-সংক্রান্ত বিরোধের তদন্তকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক পারুল আক্তার কে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগসহ জমি বিরোধের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি থাকলেও সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা আজমল হোসেন তদন্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে না করে তা প্রভাবিত,বানচালের চেষ্টা করছেন,একটি মহল এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক পারুল আক্তার ।

অভিযোগকারীর দাবি, জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তিনি বিভিন্ন সময় পারুল আক্তার হুমকি ও চাপের মুখে পড়েছেন। এ অবস্থায় জমির দলিলপত্র, খতিয়ান, নামজারি নথি, দখল পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কিন্তু তদন্তের নামে প্রভাবশালী একটি মহলের ইচ্ছা অনুযায়ী বিষয়টি মিথ্যা খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ, তার

ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের চাপ বা নির্দেশনায় তদন্তের গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ঘটনা আড়াল হওয়ার পাশাপাশি ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন। তভুক্তভোগীকে সরারচর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা আজমল হোসেন হুমকি দিয়ে বলেন আমি লিখে দিবো আপনার দখলে কোন জমি নেই বলে, ভুক্তভোগীর ওয়ারিস অনুযায়ী সকল জমি দখল বিদ্যমান। বিবাদীরা ভুক্তভোগীর জমা জমি বেদখলের জন্য পায়তারা চালিয়ে আসছে। বিবাদীরা ভুক্তভোগীর একখণ্ড জমি জোরপূর্বক বেদখল করিয়াছে। বিবাদীরা একাধিক জমি বিক্রয় করলেও তার কাগজপত্র প্রদর্শন করিত পারছেনা । বাদী ও বিবাদীর সকল জমা জমির কাগজ বাদীর পিতার মৃত্যুর পরে বিবাদীদের হেফাজতে রেখেছে। ভুক্তভোগীকে জমা জমি থেকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে অনেক জমা জমি দলিল পত্র বিবাদীরা উপস্থাপন করিতে অনীহা প্রকাশ করিতেছে। ভূমি কর্মকর্তা আজমল হোসেন বিবাদীদের নিকট হইতে বড় অংকের উৎকোচ গ্রহণ করিয়া,ভুক্তভোগীর জমা জমির কাগজপত্র বিবাদীদের নিকট হইতে গ্রহণ না করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর এ দায়সারা প্রতিবেদন দাখিল এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তাই সরারচর ভূমি সহকারি অফিস আজমল হোসেন এর তদন্তকারী পদ পরিবর্তন করিয়া  নির্ভরযোগ্য একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা একান্ত প্রয়োজন। ইতিপূর্বে সরারচর ভূমি অফিসের ভূমি সহকারি কর্মকর্তা আজমল হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির দায়ে একাধিক সংবাদ সংস্থা সংবাদ প্রকাশ করেছে!

এদিকে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রাণনাশের হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্বেও ভূমি কর্মকর্তা আজমল হুসাইন নিরপেক্ষ তদন্ত করছে না কেন?  একই সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তার ওপর কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন ।এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ও নিরপেক্ষ জনগণ বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনের জন্য ভূমি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এডিসি রেভিনিউ কর্মকর্তার হস্তক্ষে কামনা করছে।

Ad