গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় খেলা হাডুডু : মিলন

  • প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, বিকাল ০৭:৫২
  • আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, বিকাল ০৭:৫৩
1000388456

রাজশাহী প্রতিনিধি ‍ঃ

গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় খেলা হচ্ছে হাডুডু এটা শুধু গ্রাম বাংলার খেলা নয়। এটা হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা। এই খেলা কালের বিবর্তনে হারাতে বসেছে। এখন আর প্রকৃত হাডুডু খেলা সচারচর দেখা যায় না। কিছু খেলা দেখা যায় সেটাকে কাবাডি বলা হয়। পূর্বে বর্ষা মৌসুমে প্রায় গ্রামেই কোর্ট কেটে গ্রামের ছেলে ও বড়রা এই খেলায় মেতে উঠতো। ছাড়তো টুর্নামেন্ট। দিনের পর দিন এই খেলা চলতো। গ্রামের লোকজন বিকেল হলেই এই হাডুডু কিংবা ফুটবল খেলা দেখতে মাঠে লে যেতো বলে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন জানান।শুক্রবার দিনব্যাপি পবার হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড খিরশিন ফকিরপাড়া যুব সংঘের আয়োজনে আরাফাত রহমান কোকো হাডুডু টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, পূর্বে কোন খেলা বা কোন কর্মসূচী পালন করতে হলে উপরওয়ালা মানে লোকাল থানার ওসির অনুমতি লাগতো। কোন কিছু করতে গেলেই বলতো উপরওয়ার অনুমতি নিতে। আরে উপরওয়ালা হচ্ছে একমাত্র সৃষ্টি কর্তা। সৃষ্টিকর্তার হুকুম ছাড়া কোন কাজ হয়না। কিন্তু বর্তমান পার্থিব উপরওয়ালার আর অনুমতি লাগেনা বলে উল্লেখ করেন তিনি। মিলন আরো বলেন, পতিত সরকার বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে দলীয়করণ করে ধ্বংস করে ফেলেছে। স্টার খেলোয়ারদের দলে ভিড়িয়ে নির্বাচন করিয়ে তাদের জীবন শেষ করে দিয়েছে। শুধু তাইনয় ক্রীড়া সংগঠনে ব্যাপক দূর্নীতির ফলে ফুটবলসহ অনেক খেলা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছে। প্রতি সেক্টরে তারা অর্থ আত্মসাৎ করায় এ অবস্থা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু বিএনপি’র আমলে এমনটা কখনো হয়নি। বিএনপি একটি ক্রীড়ামোদি ও সাংস্কৃতিক মনা দল। বিএনপি চায় দেশের মানুষকে ভাল রাখতে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজানো হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন দেশে আগামী বছরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনে ধানের প্রার্থী যেই হোকনা কেন তার পহয় নেতাকর্মীসহ সকলকে কাজ করতে হবে এবং ভোট প্রদান করতে হবে। তা না হলে দেশ যেভাবে পিছিয়ে আবারও পঞ্চাশ বছরের জন্য পিছিয়ে যাবে। মিলন বলেন, একটি দল জনগণের নিকট বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে। দাড়িপাল্লায় ভোট দিলেই ফুলছিড়াত পার হয়ে যাবে। মোনাফেক এই দলের কোন কথা বিশ্বাস না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সেইসাথে প্রতিটি ঘরে ঘরে এই ধরনের বক্তব্য প্রচারকারীদের প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান। বক্তব্য শেষে তিনি বিজয়ী ও রানার-আপ দলের মধ্যে পুরস্কার ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।  পবা উপজেলা মৎসজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ¦ কামাল হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিেেব উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, মোহনপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর পরাগ, হড়গ্রাম মডেল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মারুফ হোসেন, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব শাহিন রেজা সান্নান, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আলহাজ¦ এরশাদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুবনেতা আসিফ হোসেন বকুল সমাজ সেবক আবুল কালাম আজাদ। হড়গ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার আলীর সঞ্চালনায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য দিনব্যাপি খেলায় মোট ছয়টি দল অংশগ্রহন করে। চুড়ান্ত খেলায় মামুন ট্রাক্টর একাদশ ৫০-৪৭ পয়েন্ট ব্যাবধানে সাধন ও পারভেজ একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।


Ad